শেষ কথাটি বলতে দেওয়া হয় নাই শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লাকে,
ফাঁসির মঞ্চে উঠতে কোন আড়ষ্টতা ছিল না শহীদের।
বৃহস্পতিবার রাতে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আব্দুল কাদেরকে হত্যা করার সময় সেখানে দায়িত্বরত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আইজি (প্রিজন) মাইন উদ্দিন খন্দকার। শুক্রবার এক আলাপচারিতায় শহীদ আব্দুল কাদেরকে ফাঁসির মাধ্যমে হত্যার শেষ মুহূর্তের কিছু বর্ণনা তিনি একটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমের কাছে তুলে ধরেন তিনি।
এই কর্মকর্তা বলেন, শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার কনডেম সেল থেকে ফাঁসি মঞ্চের দূরত্ব পাঁচশ’ মিটারের মতো। শহীদের দুই হাত পিছনে নিয়ে হাতকড়া পরানোর পর দুই জন জল্লাদ দুদিকে ধরে এবং প্রধান জল্লাদ শাহজাহান পিছন পিছন হেঁটে তাকে ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে আসেন।
“মঞ্চে আনতে পাঁচ থেকে ছয় মিনিট সময় লাগে। ঠিক ঘড়ির কাঁটায় যখন ১০টা বাজে শহীদকে ফাঁসির মঞ্চে উঠানো হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে জম টুপি পরানো হয়।
“ফাঁসির মঞ্চে উঠার পর তিনি বলেন, জেল সুপার আমার একটা বক্তব্য আছে। কিন্তু ততোক্ষণেই সময় হয়ে যায়, ‘২২০১’ অর্থাৎ নির্ধারিত সময় রাত ১০টা ১ মিনিট।”
মাইন উদ্দিন জানান, কনডেম সেল থেকে ফাঁসির মঞ্চে আসা পর্যন্ত পুরো পথ হেঁটে আসতে কোন ধরনের পিছু টান দেননি শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা।
তাকে রাত ১০টা ১৬ মিনিটে ফাঁসির দড়ি থেকে নামানো হয়। পরে সিভিল সার্জন আব্দুল মালেক মৃধা তার ময়নাতদন্ত করেন। অন্য সূত্র থেকে জানা যায়, হত্যার পর নৃশংসভাবে তাঁর হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়া হয়।
সুত্র;-https://www.facebook.com/newbasherkella