ওয়েবসাইটে স্বাগতম

হেফাজতে ইসলামের মুল লক্ষ্য সুন্নাহ প্রতিষ্টা। বিদ'আত নির্মূল। নাস্তিকতা দমন। ইসলামী শিক্ষা। ও ঐক্য।

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলামী শিক্ষা, নৈতিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দ্বীনের খেদমতে নিবেদিত একটি অরাজনৈতিক ইসলামি সংগঠন।

imamuddinwp

আমাদের মুল লক্ষ্যবস্তু
হিসেব
দেখি

পরিপূর্ণ ইসলাম গ্রহণ

১. পরিপূর্ণ ইসলাম গ্রহণ

খণ্ডিত ইসলাম চর্চা নয়; বরং পবিত্র কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিপূর্ণ ইসলাম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

সুন্নাহ প্রতিষ্ঠা

২. সুন্নাহ প্রতিষ্ঠা

বিদআত নয়; বরং কুরআন, সহিহ হাদিস এবং সালাফে সালেহীনের বুঝ অনুযায়ী দলিলভিত্তিক সুন্নাহ প্রতিষ্ঠা।

নাস্তিকতার প্রতিরোধ

৩. নাস্তিকতার প্রতিরোধ

নাস্তিকতা ও ইসলামবিরোধী চিন্তাধারার সঙ্গে কোনো আপস নয়; বরং জ্ঞান, যুক্তি ও আইনসম্মত উপায়ে এর প্রতিরোধ।

শান্তিপূর্ণ দেশ গঠন

৪. শান্তিপূর্ণ দেশ গঠন

ইসলামের ন্যায়বিচার, শান্তি, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধের আলোকে একটি আদর্শ, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী দেশ বিনির্মাণ।

ইসলামী ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা

৫. ইসলামী ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা

কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে উম্মাহর মধ্যে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করে বিভেদ ও অনৈক্য দূর করার জন্য কাজ করা।

জ্ঞানচর্চা ও দাওয়াহ

৬. জ্ঞানচর্চা ও দাওয়াহ

কুরআন ও সহিহ সুন্নাহভিত্তিক বিশুদ্ধ ইসলামী জ্ঞান অর্জন, প্রচার এবং দাওয়াহর মাধ্যমে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে ইসলামের সঠিক শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া।

সহজ দাবী

১৩ দফা মেনে নিন, নতুবা নিজেকে নবী-রাসূল, সাহাবা, আলেম-উলামার প্রতিপক্ষ হিসেবে ঘোষনা দিন।

সূল ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা সকল ভালোবাসার ঊর্ধ্বে

সূল ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা সকল ভালোবাসার ঊর্ধ্বে

বলুন, যদি তোমাদের পিতা, তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই, তোমাদের স্ত্রী, তোমাদের আত্মীয়-স্বজন, তোমাদের উপার্জিত সম্পদ, যে ব্যবসার মন্দা পড়ার আশঙ্কা কর এবং যে বাসস্থান তোমরা পছন্দ কর—এসব তোমাদের কাছে আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং তাঁর পথে জিহাদ করার চেয়ে অধিক প্রিয় হয়, তবে অপেক্ষা করো, যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁর আদেশ নিয়ে আসেন।" সূরা আত-তাওবা: ২৪ (৯:২৪) "তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, তার সন্তান এবং সকল মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় হই।"(সহিহ বুখারি ও মুসলিম)

রাসূল ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসার স্বরুপ-কায়েদে মিল্লাত আল্লামা বাবুনগরী (রহ.)

YouTube Video Thumbnail

সেরা বৈশিষ্ট্যের মধ্যে....

আমাদের মূল লক্ষ্যসমূহ

আমাদের লক্ষ্য কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা নয়; বরং পবিত্র কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে বিশুদ্ধ ইসলামের দাওয়াত, সুন্নাহ প্রতিষ্ঠা, ইসলামবিরোধী চিন্তাধারার প্রতিরোধ এবং একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠন।

আমরা তৈরি করার চেষ্টা করি..

সহিষ্ণু ও দায়ভার গ্রহণকারী একদল পীর-মাশায়েখ

কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে উম্মাহর নেতৃত্ব, দিকনির্দেশনা ও সমাজ সংস্কারে নিবেদিত, দায়িত্বশীল ও আদর্শবান পীর-মাশায়েখ গড়ে তোলা।

এক ঝাঁক তরুণ দ্বায়ী আলেম

যুগোপযোগী জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও উত্তম চরিত্রে সমৃদ্ধ এমন একদল তরুণ দ্বায়ী আলেম তৈরি করা, যারা ইসলামের সুমহান দাওয়াত মানুষের কাছে পৌঁছে দেবেন।

সৎ, নিষ্ঠাবান, দেশপ্রেমিক তাওহিদী জনতা

সততা, নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও তাওহিদের আদর্শে উদ্বুদ্ধ এমন একটি সচেতন, দায়িত্বশীল ও আদর্শ সমাজ গড়ে তোলা।

আমাদের সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান

আমাদের লক্ষ্য কেবল একটি সংগঠন গড়ে তোলা নয়; বরং কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে আদর্শ নেতৃত্ব, দক্ষ দ্বায়ী, সচেতন তাওহিদী জনতা এবং সারাদেশব্যাপী ইসলামী দাওয়াহ ও সমাজ সংস্কারের একটি শক্তিশালী ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করা।

১,০০,০০০+
পীর-মাশায়েখ
৩,০০,০০০+
তরুণ দ্বায়ী আলেম
৭,০০,০০,০০০+
তাওহিদী জনতা
৬৪
জেলা কার্যক্রম

প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ

"ইসলামের প্রচার ও মানবতার সেবায় আমরা সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে সদা প্রস্তুত। যেকোনো অনলাইন কিংবা অফলাইন দাওয়াতি ও দ্বীনি কার্যক্রমে ঝাঁপিয়ে পড়তে, ইনশাআল্লাহ, আমরা বিন্দুমাত্র দ্বিধা করব না।"

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

০১. আমাদের মূল লক্ষ্য কী?
আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে পূর্ণাঙ্গ ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য দাওয়াহ, শিক্ষা ও ঐক্যবদ্ধ জনশক্তি গড়ে তোলা।
০২. সংগঠনের আকীদা ও আদর্শ কী?
আমরা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকীদার অনুসারী। কুরআন, সহীহ সুন্নাহ এবং সালাফে সালেহীনের বুঝ অনুযায়ী ইসলামের দাওয়াহ ও আমলকে প্রাধান্য দিয়ে থাকি।
০৩. কীভাবে সদস্য হওয়া যাবে?
সংগঠনের নীতিমালা ও আদর্শের সাথে একমত হয়ে নির্ধারিত আবেদনপত্র পূরণ এবং স্থানীয় দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে সদস্যপদ গ্রহণ করা যাবে।
০৪. সংগঠনের কার্যক্রম কোথায় পরিচালিত হয়?
দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে দাওয়াহ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, সামাজিক সেবা এবং ইসলামী সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
০৫. বেদআত সম্পর্কে সংগঠনের অবস্থান কী?
কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর দলিলের আলোকে বেদআত পরিহার এবং বিশুদ্ধ সুন্নাহ প্রতিষ্ঠাকে আমরা ইসলামী সংস্কারের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে মনে করি।
০৬. দাওয়াহ কার্যক্রমে কীভাবে অংশগ্রহণ করা যায়?
আপনি স্থানীয় ইউনিটের সাথে যোগাযোগ করে দাওয়াহ, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, সমাজসেবা এবং বিভিন্ন ইসলামী কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
০৭. সংগঠন কি রাজনৈতিক নাকি দাওয়াহভিত্তিক?
সংগঠনের প্রধান লক্ষ্য হলো কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক দাওয়াহ, ইসলামী শিক্ষা, সমাজ সংস্কার এবং নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন।
০৮. আমাদের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করবেন?
ওয়েবসাইটের যোগাযোগ (Contact) পেজ, অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ, ই-মেইল অথবা স্থানীয় দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে আমাদের সাথে সহজেই যোগাযোগ করতে পারবেন।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ

ভুমিকাঃ

الحمد لله رب العالمين و الصلاة والسلام علي اشرف الانبياء والمرسلين وعلي اله وصحبه اجمعين

মহান আল্লাহ পাক আমাকে আপনাকে ইহজগতে মানুষ হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। এর পাশাপাশি মানব জাতিকে সকল সৃষ্টি জগতের উপরে সর্বোত্তম মর্যাদা দান (আশরাফুল মাখলুকাত) করেছেন। মানুষের বৈশিষ্ট্যই হল প্রতিপালকের নির্দেশনা মতে নিজের জীবন গড়ে তোলা। আজ বিংশ শতাব্দিতে এসে মানুষ চন্দ্রজয় করেছে, গ্রহ নক্ষত্রের আবিস্কার করেছে, রকেট বুয়িং থেকে শুরু করে এটম হাইড্রোজেন, পরমাণু শক্তি অর্জন ও কম্পিউটার আবিস্কারসহ মানুষ সভ্যতার চরম শিখরে পদার্পনের কল্পনা করলেও বাস্তবে মানুষ নৈতিক অবক্ষয়ের শেষপ্রান্তে এসে পৌঁচেছে।

আজ মানুষ থেকে মনুষ্যত্ববোধ বিদায় নিয়েছে। মানুষ হিংস্র দানবে রূপান্তরিত হয়েছে। নিজের প্রতিপালকের পবিত্র বাণী ও নির্দেশনা প্রতিনিয়ত উপেক্ষিত। আজ মানবতা ও নৈতিকতার আর্তনাদে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে গেছে। চারিদিকে শুধু মজলুম নিষ্পেসিত শোষিতদের চিৎকার, শাসকদের শোষন, জালেমদের জুলুম, বিত্তশালীদের অত্যাচারে যেন জমিন ফেটে যাবে। এই শোষন এবং নিষ্পেশনের যাতাকল থেকে বিপন্ন মানবতাকে মুক্তির দিশারী দিতে যুগযুগ ধরে প্রতিক্ষার পর মুসলিম জনসাধরণের ঈমান-আকীদা, তাহযীব-তামাদ্দুন হেফাজতের লক্ষ্যে এদেশের সম্মানিত উলামায়ে কেরাম নিজেদের উপর আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক অর্পিত ঈমানী দায়িত্ব পূরণের লক্ষ্যে ২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারী এশিয়ার বিখ্যাত ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া আহলিয়া দারুল উলੂম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী’র সম্মানিত পরিচালক সর্বজন শ্রদ্ধেয় বুজুর্গ, আলেমেদ্বীন, হযরত মাদানী রহ.-এর সুযোগ্য খলীফা শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেব (দামাত বারাকাতুহুম) এর নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ গঠন করেন。

উল্লেখ্য যে, দেশের মুসলিম জনসাধারণের মাঝে ইসলামের শিক্ষা-সংস্কৃতি ইত্যাদি সংরক্ষণ ও চর্চার মহান মাকসাদ নিয়ে একটি অরাজনৈতি সংগঠন হিসেবে ‘হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ’ এর পথচলা শুরু হয়। ধর্মীয় আন্তরিকতা এবং দেশ ও জাতির প্রতি পূর্ণ দায়িত্ববোধ সর্বোপরি নিষ্কলুষ দেশ প্রেম এর সুমহান প্রত্যয় ঘোষণার মধ্য দিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ আজ বর্তমান পর্যায়ে উপনীত হয়েছে।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ বিশ্বাস করে- ইসলামের নির্ভেজাল মৌলনীতি, আক্বীদা-বিশ্বাস, শিরক, বিদআত ও কুফরী তৎপরতামুক্ত মুসলিম সমাজ গঠন ও সংরক্ষণে যেমন- তার অপরিহার্য দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি যে কোন রাষ্ট্রীয় সংকটে ও প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও সহযোগিতা দানের মধ্য দিয়ে এই সংগঠন তার গুরু দায়িত্ব পালন করে যাবে। বিশেষ করে ইসলাম ও মুসলিম বিরোধী যে কোন অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠ উপস্থাপন ও সার্বিক প্রতিবাদ প্রতিরোধের ধারা এই সংগঠন যে কোন মূল্যে অব্যাহত রাখবে।

আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, বর্তমানে বাংলাদেশে ইসলাম বিরোধী আক্বীদা-বিশ্বাস, শিক্ষা-সংস্কৃতি প্রচারের মধ্য দিয়ে মুসলমানদের স্বাতন্ত্র মূল্যবোধ, স্বকীয়তার ঐতিহ্যগত অনুভূত ধ্বংস করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সমূহ ষড়যন্ত্র চলছে। বিশেষ করে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংবিধান থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের প্রাণের স্পন্দন “সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস” তুলে দিয়ে রাষ্ট্রীয় অন্যতম মূলনীতি হিসেবে কুফরী মতবাদ ‘ধর্ম নিরপেক্ষতা’কে প্রতিস্থাপন করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে পরিণত করার ঘৃণ্য চক্রান্ত শুরু হয়।

শুধু তাই নয়, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নামে ইসলাম বিদ্বেষীরা প্রশাসনের পূর্ণ সহযোগিতায় ও ছত্রছায়ায় দেশে কুফরী মতবাদ, একমূখী শিক্ষার নামে ধর্মহীন শিক্ষানীতি, কওমী মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, কুরআন বিরোধী নারীনীতিমালা ও সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার অপতৎপরতা পূর্ণোদ্যমে শুরু করা হয়। এতে করে এ দেশের মুসলমান বিশেষতঃ মুসলিম শিশু-কিশোর ও যুবক শ্রেণী চরম ধর্মীয় ও নৈতিক অধঃপতনের দিকে অগ্রসর হতে শুরু করে। উল্লেখ্য যে, উক্ত ধর্ম নিরপেক্ষতার দোহাই দিয়ে এদেশের উচ্চ আদালতের একজন বিচারক একজন বিচারপ্রার্থীর টুপি খুলে ফেলতে বাধ্য করেন।

সর্বোপরি নারীর ক্ষমতায়নের ধোঁয়ায় আমাদের মুসলিম রমনিদেরকে বেহায়াপনা-বেলেল্লাপনার এক মহোৎসবে মাতাল করে পশ্চিমা সংস্কৃতির ছোবলে আগ্রাসনের মধ্য দিয়ে দেশে ইভটিজিং ও নারী নির্যাতনের প্রবণতা আশংকাজনক হারে বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করেছে। এসব সর্বাগ্রাসী আগ্রাসনের মহাসাগর থেকে নিমজ্জিত মানবতাকে উত্তোলনের জন্য আপনাদের সকলের প্রতি হেফাজতের পতাকায় সমবেত হওয়ার আকুল আবেদন জানাচ্ছি। আল্লাহ তা’আলাই একমাত্র সাহায্যকারী।

মূলনীতিঃ

* আল্লাহ তা’আলার একাত্ববাদ * খতমে নবুয়াতের প্রতি পূর্ণ আস্থা * কুরআন ও সুন্নাহ, খোলাফায়ে রাশেদীন, সাহাবায়ে কেরাম (রাজিআল্লাহু তা’য়ালা আনহুম) অনুসরণে তথা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ্ এর নির্ধারিত পথ অনুসরণ * আমর বিল মা’রুফ নাহী আনিল্ মুনকারের মাধ্যমে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে তৎপরতা সৃষ্টি, সমাজ গঠন ও সংরক্ষণ এবং শিরক, বিদআত ও কুফরী তৎপরতার বিরুদ্ধে সংশোধন ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ। * আত্মশুদ্ধিমূলক মুসলিম ভ্রাতৃত্বই হেফাজতের অন্যতম মূলনীতি। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: ১. মহান আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি অর্জন। ২. কুরআন-হাদীস অনুসারে জীবন যাপনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা। ৩. আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে একটি আদর্শ ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ। কর্মসূচি: ১. দাওয়াত ও তাবলীগ: মুসলিম সমাজে ইসলাম তথা কুরআন-হাদীস ও উলামায়ে কেরামের ঐতিহ্যবাহী অনুঃসৃত পথে নির্ভেজাল ইসলাম চর্চার পথে দা’ওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনা। ২. আত্মশুদ্ধি বা তাযকিয়ায়ে নফ্স: ইসলামী আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে আত্মশুদ্ধি বা তাযকিয়ায়ে নফ্সের শর্ত পূরণে কার্যক্রম গ্রহণ। ৩. খিদমাতে খালক্ বা আল্লাহর সৃষ্টির সেবা: সমাজে পরার্থে আত্মত্যাগের মহান রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এবং মানবতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা। ৪. ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুন চর্চা: সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে প্রতিটি সমাজ সদস্যের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিবেক সৃষ্টি করতঃ চর্চার রীতি প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম পরিচালনা করা। ৫. আমর বিল মা’রুফ ওয়া নাহী আনিল্ মুন্কার: সৎকাজে আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ একটি আদর্শ সমাজ ব্যবস্থার পূর্বশর্ত। পবিত্র কুরআন নির্দেশিত এই দায়িত্ব বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা।

কার্যক্রমঃ

১. দা’ওয়াত: ব্যক্তিগত দাওয়াত, লিফলেট-ইস্তিহার বিতরণ, চিঠিপত্র লেখা, মাহফিল-সম্মেলন ও সেমিনারের আয়োজন, বই-পুস্তক, পত্রিকা ও সাময়িকী প্রকাশ, বক্তৃতা ও লেখনী প্রকাশ। ২. সংগঠন: * কেন্দ্রীয় পরিষদ * জেলা ও মহানগর পরিষদ * উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ। পরিষদের ধরণ: সভাপতি ১ জন, সহ-সভাপতি অনুর্ধ ১০ জন, সাধারণ সম্পাদক ১ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৩ জন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ১০ জন, অর্থ সম্পাদক ১ জন, সহ অর্থ সম্পাদক ৩ জন, সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ৫ জন, প্রচার সম্পাদক ১ জন, সহ প্রচার সম্পাদক ৫ জন, দপ্তর সম্পাদক ১ জন, সহ দপ্তর সম্পাদক ৩ জন, সাহিত্য সম্পাদক ১ জন, সহ সাহিত্য সম্পাদক ৩ জন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ১ জন, সহ সমাজকল্যাণ সম্পাদক ৩ জন, সম্মানিত সদস্য ১৫ জন। কেন্দ্রীয় পরিষদে ভিন্নতা বাঞ্চনীয়। ৩. আন্দোলন: শিরক ও বিদআতমুক্ত সমাজ গঠনে, ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধে, মুসলমানের বিপক্ষে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রোধে, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে, সামাজিক নির্যাতন, সুদ-ঘুষ ও যৌতুক প্রতিরোধে জনমত সৃষ্টির মাধ্যমে আন্দোলন গড়ে তোলা। নিবেদন আসুন, আমরা সকল মতভেদ পরিহার করে ‘হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ’এর ছায়াতলে সমবেত হয়ে একটি আদর্শ ইসলামী সমাজ বিনির্মাণোত্তর আল্লাহর মহান নির্দেশ ‘আমর বিল মা’রুফ ওয়া নাহী আনিল্ মুন্কার” বাস্তাবায়ন করে ইসলামের ঐক্যের সুতোয় আবদ্ধ হয়ে কাল কিয়ামতের কঠিন দিনে নিজেদের নাজাতের ওসীলা তালাশ করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং আযাব থেকে মুক্তি দিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন। আমীন ॥

কেন দেওবন্দের নাম বদলাতে চান বিজেপি নেতা

ভারতের প্রখ্যাত ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র দারুল উলুম যেখানে প্রতিষ্ঠিত, সেই দেওবন্দের নাম বদলের প্রস্তাব করেছেন বিজেপি-র একজন নেতা। বলা হচ্ছে মহাভারতে ওই এলাকার উল্লেখ রয়েছে ‘দেওভৃন্দ’ নামে। আশপাশের …

মূর্তি ইস্যু ধামাচাপা দিতেই হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর আল্লামা শাহ্ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী সহ হেফাজত নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে ব…

গ্রিক মূর্তি ইস্যু ধামাচাপা দিতেই হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে সরকার। -আল্লামা শাহ্ মুহিব্বুল্লাাহ বাবুনগরী।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেম হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর, বুজুর্গ ব্যক্তি আল্লামা শ…

আল্লামা শফীকে ৫টি মন্ত্রণালয়ের টোপ দিয়েছিল সরকার: আজিজুল হক ইসলামাবাদী

২০১৩ সালে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল হেফাজতে ইসলাম। ওই বছরের ৫ মে হেফাজতে ইসলাম ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি ও মহাসমাবেশের আয়োজন করে। যদিও সমাবেশ শেষে সরে না গিয়ে তারা মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকা দখল করে …

মাদরাসা উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না: হেফাজত

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০১৬ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মক্কী নগর মাদরাসায় অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে মাদরাসাটি উচ্ছেদ করে এর ভূমি দখলের ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ…

গুন্ডা বাহিনী দিয়ে মক্কীনগর মাদরাসায় হামলা কেন: হেফাজত

হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরীর আহবায়ক আল্লামা নূর হোছাইন কাসেমী বলেছেন, দেশের শান্তি প্রিয় মানুষগুলোকে পরিকল্পিতভাবে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেয়া কোনোভাবে কল্যাণকর নয়। রাজনীতি হওয়া উচিত দেশের সকল শ্রেণীর ম…

একনজরে কিংবদন্তি মনীষা মুহিউদ্দীন খানের বহুমূখি কর্মতৎপরতা ও অবদান

আমাদের দেখা বিশ্ব মনীষার শেষ সলতে মাওলানা মহিউদ্দীন খান গোটা পৃথিবীর দু’একজন বিরল সম্মানের অধিকারী মুসলিম মনীষাদের অন্যতম। যার প্রতিটি কথা হয় গ্রন্থিত। জীবনের প্রতিটি দিক একেকটি ইতিহাস। প্রতিটি ব…